জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই সব প্রাথমিক শিক্ষার্থীর হাতে বই: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দৃঢ় কণ্ঠে জানিয়েছেন, “২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই দেশের প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে যাবে। এটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি। ইতোমধ্যে অনেক জেলায় বই চলে গেছে, বাকিগুলোও দ্রুত পৌঁছানো হচ্ছে।”
শনিবার সকালে ভোলা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘পিইডিপি-৪’ ও চাহিদাভিত্তিক প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ সমাপ্তির কৌশল নির্ধারণী সেমিনার শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির সুখবর
উপদেষ্টা আরও জানান:
– প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ইতোমধ্যে ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে।
– সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে – “আশা করছি খুব শিগগিরই সফল হব।”
– আগামী নির্বাচনে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হবে, সেগুলোর জরুরি মেরামত ও সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সকালের সেমিনারের পর বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন উপদেষ্টা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও পরিকল্পনা-উন্নয়ন পরিচালক মিরাজুল ইসলাম উকিল।
ডা. বিধান রঞ্জন বলেন, “শিক্ষকরাই প্রাথমিক শিক্ষার মেরুদণ্ড। তাদের মর্যাদা, প্রশিক্ষণ ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে আমরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। বই বিতরণের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান বাড়ানোই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
চলতি বছর দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখের বেশি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে বই ছাপা হয়েছে, যার অধিকাংশই ইতোমধ্যে উপজেলা-জেলা গুদামে পৌঁছেছে। উপদেষ্টার এই আশ্বাসে অভিভাবক ও শিক্ষকমহলে স্বস্তি ফিরেছে।





