বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে কোনো রাজনীতি হচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিচার বিভাগের ওপর সরকারের কর্তৃত্ব নেই, তাই বেগম জিয়ার মুক্তি নিয়ে কোনো রাজনীতি হচ্ছে না। এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়।
আজ সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতই চূড়ান্ত। সেটা পরিবর্তন করা সম্ভব না।
অনেক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ি আছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিবভাবে দেখছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে এ ধরনের সংবাদ নেই। আমরা শুনেছি তবে আমাদের কাছে প্রমাণ আসেনি। আমরা তো শুনি সবারই আছে। অনেকের আছে। ব্যবসায়ীদের আছে, সাংবাদিক ভাইদেরও আছে। পুলিশের শুনতেছি থাকতে পারে। সবারই আছে। যুক্তরাষ্ট্র তো অনেকের কাছে যাওয়ার জায়গা, বাসস্থাসের জায়গা। সেজন্য অনেকে হয়তো গিয়েছেন, বাড়ি করেছেন। তাদের দেশের আইন মেনে যদি তারা করতে পারেন। সেখানে আমাদের কিছু বলার নেই।
অর্থের উৎস কী জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেই বিষয়ে তারা জবাব দেবেন। সরকার জবাব দেবে না। তারা সেই দেশের সরকারকে জানান দেবেন। আমাদের দেশ থেকে যদি নিয়ে যায় আমরা সেটা দেখব।
বিএনপি বলেছে তারা পরবর্তীকালে কর্মসূচি পালনে পুলিশের অনুমতি নেবে না বিষয়টি কিভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো তারা তো অনেক কিছুই করেন যা আইনসিদ্ধ নয়, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। সেগুলো আপনারা নিশ্চয়ই দেখে আসছেন। আবুজর গিফারী কলেজের সামনে রাস্তাঘাট বন্ধ করে কৃষক দল সমাবেশ করছে, তারা পুলিশের অনুমতি নেয়নি। সেক্ষেত্রে তাদের আইন মেনে চলার জন্য বলছি।
আমাদের পরামর্শ সেটাই থাকবে, আইন যেন সবাই মেনে চলেন। আইন না মেনে চললে জনদুর্ভোগ বাড়বে, জনদুর্ভোগ বাড়লে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর যেটা করণীয় সেটাই তারা করবে।
বিএনপি বলেছে তারা চূড়ান্ত আন্দোলনে আছে। সামনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হবে। অনেকে সহিংসতার আশঙ্কা করছে। সেক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান কী- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা সহিংসতা, ভাঙচুর, অগ্নি-সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না। আমরা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করব।
২০১৪ সালে বিএনপির সহিংসতা মানুষ এখনো ভোলেনি মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা যদি ওই ঘটনা আবার ঘটাতে চায় তাহলে এ দেশের জনগণ যা করার করবে। এ দেশের মানুষ মনে করে তারা এ অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে ফিরবে না, এদেশ আলোকিত রাখার জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করবে।
আরও পড়ুনঃ দেশজুড়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা





