চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
রাজধানীর গুলশানে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
রোববার (২৭ জুলাই) গুলশান থানার ডিউটি অফিসার আঞ্জুমান আরা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগে পাঁচ সমন্বয়কের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী শাম্মী আহমেদ নিজে বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।
গ্রেফতারের বিষয়ে তিনি বলেন, “মামলা হয়েছে, তাই অবশ্যই তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।”
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সদস্য মো. সাকাদাউন, সাদাব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ সংগঠক ও কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সেলের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ এবং আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (২৬ জুলাই) রাতে গুলশানে শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায় পুলিশ এই পাঁচ যুবককে আটক করে।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, সম্প্রতি এই পাঁচজন সমন্বয়ক পরিচয়ে শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। শাম্মী আহমেদ পলাতক থাকায় তার স্বামীর কাছে এই চাঁদা দাবি করা হয়। এর আগে তারা একবার ওই বাসায় গিয়ে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসে। শনিবার রাত ৮টার দিকে তারা আবার স্বর্ণালংকার আনতে বাসায় যায়। এ সময় বাড়ির লোকজন পুলিশকে খবর দিলে রিয়াদসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশ দাবি করেছে, গ্রেফতারকৃতরা তাদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তবে পুলিশের দাবি, আটককৃতরা নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এই চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।





