শিশুদের এই ৭টি অভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
ডায়াবেটিস একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কেবল প্রাপ্তবয়স্কদেরই প্রভাবিত করছে না, বরং শিশুদের মধ্যেও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডায়াবেটিস দুই ধরণের – টাইপ ১ এবং টাইপ ২।
টাইপ ১ ডায়াবেটিস সাধারণত জেনেটিক কারণে হয়, তবে টাইপ ২ ডায়াবেটিস ভুল জীবনধারা এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণেও হতে পারে (শিশুদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি)। এখানে আমরা সেই ৭টি অভ্যাস সম্পর্কে কথা বলব যা শিশুদের ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে ।
শিশুদের ডায়াবেটিসের একটি প্রধান কারণ হল খারাপ খাদ্যাভ্যাস। আজকাল শিশুরা জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড, চিপস, কোল্ড ড্রিংকস এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খায়। এই খাবারগুলিতে চিনি, লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি থাকে, যা শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে।
শারীরিক কার্যকলাপের অভাব
আধুনিক জীবনযাত্রায় শিশুরা টিভি, মোবাইল এবং ভিডিও গেমের সাথে বেশি সময় ব্যয় করে। এর ফলে তাদের শারীরিক কার্যকলাপ কমে যায়। শারীরিক কার্যকলাপের অভাব স্থূলতা বৃদ্ধি করে , যা টাইপ 2 ডায়াবেটিসের জন্য একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ।
শিশুদের ডায়াবেটিসের একটি প্রধান কারণ স্থূলতা। উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব শিশুদের ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়। স্থূলতা শরীরে ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে ।
শিশুরা মিষ্টি খেতে ভালোবাসে, কিন্তু অতিরিক্ত চকলেট, ক্যান্ডি, মিষ্টি খাওয়া এবং চিনিযুক্ত পানীয় পান করলে তাদের শরীরে চিনির মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এই অভ্যাস শিশুদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
ঘুমের অভাব শিশুদের ডায়াবেটিসের কারণও হতে পারে। সঠিক ঘুমের অভাব শরীরের বিপাককে প্রভাবিত করে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা হ্রাস করে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
আজকাল শিশুরাও পড়াশোনা, পরীক্ষা এবং সামাজিক চাপের কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হয়। মানসিক চাপের কারণে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
যদি পরিবারের কারো ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে শিশুদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। যদিও এটি একটি জেনেটিক ফ্যাক্টর, খারাপ অভ্যাস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।





