শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্ন রক্ষায় সংযমের আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকারের
বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর সংঘটিত যেকোনো ধরনের সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, অগ্নিসংযোগ ও জানমালের ক্ষতি করার কর্মকাণ্ডের দৃঢ় ও দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানিয়ে দেশের সব নাগরিককে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের ইতিহাসের এই সংকটময় সময়ে আমরা একটি ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছি। বিশৃঙ্খলাকে পুঁজি করে শান্তির পথ উপেক্ষা করা অল্প কয়েকজনের কারণে এই অগ্রযাত্রা কোনোভাবেই ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক অনুশীলন নয়, বরং একটি গুরুতর জাতীয় অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে সেই স্বপ্নের সঙ্গে, যার জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর আত্মত্যাগ ও স্মৃতির প্রতি সত্যিকারের সম্মান জানাতে হলে সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং ঘৃণা প্রত্যাখ্যানের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার প্রয়োজন।
সরকার জোর দিয়ে বলেছে, যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সব নাগরিককে শান্তি বজায় রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছেছে। আগামীকাল শনিবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজার পর তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হবে। এই শোকের মুহূর্তে সরকারের এই বিবৃতি দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।





