“মধ্যম ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এবারের ঈদ সবচেয়ে নিরানন্দ ও বেদনাদায়ক”
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পবিত্র রমজানেও নিদারুণ কষ্টে জীবনযাপন করছে সাধারণ মানুষ। নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সংকট তো আছেই। এছাড়াও অবৈধ সরকারের লুটপাটের অর্থনীতির কারণে দেশে দুর্ভিক্ষ ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের মনে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। বিশেষ করে মধ্যম ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এবারের ঈদ সবচেয়ে নিরানন্দ ও বেদনাদায়ক।
আজ রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সাজানো মিথ্যা মামলায় জর্জরিত বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় সব নেতাকর্মী। কারও কারও বিরুদ্ধে চারশ থেকে পাঁচশ মামলাও রয়েছে। একদিকে মামলার চাপ আরেক দিকে ব্যবসা বাণিজ্যসহ সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী। এছাড়াও এখনও যারা কারবান্দি রয়েছেন এমন নেতাকর্মীর সংখ্যাও কম নয়। কারাগারের চার দেয়ালের মধ্যে এবারও ঈদ করতে হচ্ছে দলটির অজস্র নেতাকর্মীকে। অবৈধ ও ডামি নির্বাচনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে রাজনৈতিক মামলায় বন্দি হন এসব নেতাকর্মী।
তিনি বলেন, পবিত্র রমজান প্রায় শেষ পর্যায়ে, আর দুই -তিন দিন পর উদযাপিত হবে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। কিন্তু ডামি নির্বাচনের ‘বাকশাল টু’ সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনে পড়ে এ পবিত্র রমজানেও নিদারুণ কষ্টে জীবনযাপন করছে সাধারণ মানুষ। নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সংকট তো আছেই। এছাড়াও অবৈধ সরকারের লুটপাটের অর্থনীতির কারণে দেশে দুর্ভিক্ষ ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের মনে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। বিশেষ করে মধ্যম ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এবারের ঈদ সবচেয়ে নিরানন্দ ও বেদনাদায়ক।
রিজভী বলেন, গত বছরের ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কর্মসূচি ঠেকাতে সারাদেশে গণহারে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ওই সময় বিএনপির মহাসচিবসহ এবং অনেক শীর্ষ নেতাসহ প্রায় ২৬ হাজার নেতাকর্মীকে কারাগারে বন্দি করা হয়।
আরও পড়ুনঃ দেশের বাজারে সোনার দামে ফের রেকর্ড





