নির্বাচন ঘিরে বড় কোনো সংঘাতের আশঙ্কা নেই: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংঘাতের আশঙ্কা আমাদের এ অঞ্চলে সব সময়ই থাকে। তবে বড় ধরনের সংঘাত হওয়ার আশঙ্কা করছি না। এ ব্যাপারে জিরো টরালেন্সে নেত্রী।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ হোক কিংবা স্বতন্ত্র হোক, যারা নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, এটা দলের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে যারা ভিসা নীতির নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এত কথা বলল, তাদের ভিসা নীতির আওতায় আনা হবে বলে মনে করছি- এটা তো আমেরিকারই বহুল প্রচারিত কথা। এনডিআইসহ যে পাঁচজন মার্কিন প্রতিনিধি এখন বাংলাদেশে আছেন, এ বিষয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত যত অভিযোগ, সেটা নির্বাচন কমিশন (ইসি) দেখছে। ইসি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আচরণবিধি যাতে মানা হয়, বিশৃঙ্খলা হলে দেখার দায়িত্ব তাদের। এ ব্যাপারে আমি কোনো দল বুঝি না। নৌকা বা স্বতন্ত্র যাই হোক, যেসব কর্মকাণ্ডে নির্বাচনী আচরণবিধি বিঘ্নিত হবে, বিশৃঙ্খলা হবে, ইসি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। এতে দল হিসেবে আওয়ামী লীগ আপত্তি করবে না। ইসি যে পদক্ষেপ নেবে, সেটাকে সমর্থন করি।
ইশতেহার সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগেভাগে সব বলে ফেললে, ইশতেহার প্রকাশের জন্য আলাদা দিন কেন রাখা?
ইশতেহার আমরা প্রকাশ করব, দেশি- বিদেশি অনেককেই আমন্ত্রণ জানাব। যারা নির্বাচন বর্জন করেছে, তাদের কেন আমন্ত্রণ জানাব? তারা তো সে অধিকার হারিয়েছেন। তবে নির্বাচনের পক্ষে যারা আছেন, তারা আমন্ত্রণ পাবেন।
কাদের বলেন, ‘যারা আসছে না, তারা বলতে পারবে কেন আসছে না ভোটে। আমাদের সবকিছু শতভাগ পারফেক্ট, সে দাবিও আমরা করি না।’
আরও পড়ুনঃ প্রথম দফায় ১৩ জেলায় গেলো ব্যালট পেপার





