এনবিআর কর্মচারীদের আন্দোলনে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ জানাতে ব্যবসায়ীদের চিঠি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভক্তি ও চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন ও শাটডাউনের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট, ২০২৫) কমিটির আহ্বায়ক, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব সৈয়দ রবিউল ইসলামের সই করা চিঠি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) মহাসচিব আলমগীরের কাছে পাঠানো হয়।
এফবিসিসিআই পরে দেশের সব চেম্বার, অ্যাসোসিয়েশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপ এবং স্থল বন্দর ও শুল্ক স্টেশনের নেতাদের কাছে ক্ষতির তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে নির্ধারিত ছকে ২১ আগস্টের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছকে বাণিজ্য সংগঠনের নাম, ব্যবসার ধরণ, ক্ষতির বিবরণ, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ (লাখ টাকায়) এবং মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
কমিটির দ্বিতীয় সভায় (৪ আগস্ট) এই তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়। চিঠিতে বলা হয়, মে-জুন মাসে রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর বিভাগের কর্মবিরতির কারণে শিল্প, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, বন্দর, আমদানি-রপ্তানি, উৎপাদন, সেবা খাত এবং সাপ্লাই চেইনে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। আমদানিকারকরা কাঁচামাল খালাস করতে পারেননি, রপ্তানিকারকরা সময়মতো পণ্য রপ্তানি করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং সরকারের রাজস্ব আহরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সৈয়দ রবিউল ইসলাম বলেন, “কমিটির লক্ষ্য শাটডাউনের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ। এজন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য প্রয়োজন।”
এফবিসিসিআই সব বাণিজ্য সংগঠনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছে, যাতে কমিটির কাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়।





