এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে ভাল থাকবে কিডনি
মানব শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি। কোনো কারণে যদি কিডনিতে সংক্রমণ হয় তাহলে শরীরে একের পর এক জটিল সমস্যা বাসা বাধে। তবে খুব অল্প কিছু অভ্যাসেই কিন্তু কিডনি সুস্থ থাকে।
কিডনি সুস্থ রাখতে প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট গ্লাস জল খান। যদি লিটার মেপে খান তাহলে দুই থেকে তিন লিটার জল খেতে হবে।
ব্যাথানাশক ওষুধ কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ কিডনির জন্য খুব একটা ভালো নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধগুলি এড়িয়ে চলুন।
যদি বয়স ৪০এর বেশি হয় তাহলে অবশ্যই প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতি মাসে একবার করে ডায়াবেটিস আর ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করান। কারণ ব্লাড প্রেসার আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে কিডনি অনেকটা সুস্থ থাকে। সম্ভব হলে বছরে একবার প্রস্রাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান।
প্রস্রাব কখনোই চেপে রাখবেন না। সামান্য এই ভুলে ইনফেকশন হতে পারে। যদি এই সংক্রমণ খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায় তাহলে কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ দিনের কোন সময়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি?
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
রোজ অন্তত হালকা ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। সবথেকে ভালো হয় যদি সাইকেল চালানো, দৌড়ানো, হাঁটা কিংবা ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন।
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ধূমপায়ী ব্যক্তিদের কিডনিতে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। পাশাপাশি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই কিডনির কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে পান,জর্দা, অ্যালকোহল, ধূমপান এগুলি ত্যাগ করতে হবে।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ কিডনির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। কিডনি ভালো রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমের প্রয়োজন।
কিডনি রোগে অন্যতম লক্ষণ গুলি হল প্রস্রাম কম হওয়া, বমি ভাব, ক্ষিদে না পাওয়া প্রভৃতি। যদি এই সমস্যাগুলি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খান। চেষ্টা করুন কম চিনি দেওয়া খাবার খেতে। বাড়তি তেল-চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।






কন্ঠস্বরেই শনাক্ত হবে কঠিন রোগ - tathyasangjog
September 23, 2022[…] আরও পড়ুনঃ এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে ভাল থাকবে কিড… […]