প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন: মির্জা আব্বাস, নজরুল-রিজভী রাজনৈতিক উপদেষ্টা
নতুন সরকার গঠনের এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করে দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই বণ্টনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজনের মধ্যে তিনজন—মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ—রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন, যা সরকারের রাজনৈতিক কৌশল ও সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়া নতুন সরকারে মন্ত্রিসভার বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় এই ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়। রুলস অব বিজনেস অনুসারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এই দায়িত্ব বণ্টন করেছেন। এই পদক্ষেপ সরকারের কাজকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ গঠনের পরও এই উপদেষ্টারা বিশেষ ক্ষেত্রে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত থেকে পরামর্শ ও তদারকি করবেন।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (মির্জা আব্বাস), নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হয়েছে। এই তিনজন বিএনপির দীর্ঘদিনের নেতা এবং দলের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে অভিজ্ঞ। তাঁদের দায়িত্ব সরকার ও দলের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ বাড়ানো। অন্যদিকে, মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং রাশেদ আল মাহমুদ টিটুমিরকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা করা হয়েছে। এই দুজনের অভিজ্ঞতা প্রশাসনিক সংস্কার ও অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টার মধ্যে হুমায়ুন কবীরকে পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা করা হয়েছে। জাহেদ উর রহমান, মাহাদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদকেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বণ্টন সরকারের বিভিন্ন খাতে বিশেষজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের সমন্বয় ঘটিয়েছে।





