গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলা: দোষীদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে জানিয়েছে, এই নৃশংস হামলায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং তারা কোনোভাবেই পার পাবে না। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “গোপালগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এনসিপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা একটি অমার্জনীয় ও লজ্জাজনক ঘটনা। এই হামলা ছাত্র, সাধারণ মানুষ এবং সংবাদমাধ্যম প্রতিনিধিদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।” হামলায় এনসিপির সদস্য, পুলিশ এবং সাংবাদিকরা নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েছেন, এবং গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি অনেককে মারধর করা হয়েছে।
সরকার জানায়, হামলার জন্য অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা, যাদের দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, কঠোর শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে পূর্ণ জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশে এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই।”
বিবৃতিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রশংসা করে বলা হয়, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের তৎপরতা প্রশংসনীয়। আমরা এনসিপির সেই সব সদস্য, ছাত্র ও সাধারণ মানুষের সাহসিকতারও প্রশংসা করি, যারা হুমকি সত্ত্বেও সমাবেশ চালিয়ে গেছেন।”
গোপালগঞ্জের বাসিন্দা রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “এই হামলা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আঘাত। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ আমাদের আশাবাদী করেছে।” একজন এনসিপি কর্মী সুমাইয়া রহমান বলেন, “আমরা ভয় পাই না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় আমরা এগিয়ে যাব।”





