১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য ইইউকে ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশে সাময়িকভাবে আশ্রিত ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য ইইউকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি ইইউ’র সদর দফতরে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এক বিবৃতিতে একথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্মভূমি মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র সমাধান। আমি দ্রুত এই সংকটের একটি টেকসই সমাধানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে ইইউ’র প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, এ বছর বাংলাদেশ-ইইউ’র অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে। আমরা খুশি যে- ইইউ এখন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।’ প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম মেয়াদ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এই ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিকতার কথা স্মরণ করে বলেন, অস্ত্র ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিটি স্কীমই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শ্রমিকদের অধিকারের পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও নিয়মিত অভিপ্রয়াণ সুরক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’ তাদের মধ্যে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের ওপর খোলামেলা মত বিনিময় হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন- এ অভিন্ন মূল্যবোধের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন তার বিবৃতিতে বলেন, দ’ুটি বিনিয়োগ প্যাকেজ স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রথমটি হল- বাংলাদেশে সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করার জন্য ৪০০ মিলিয়ন ইউরো’র বেশি অর্থের একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্যাকেজ। দ্বিতীয় বিনিয়োগ প্যাকেজটি হল- আমাদের ২০২৩ সালের বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা- যা আপনাদের জনপ্রশাসনে এবং কর্মসংস্থান, দক্ষতা ও শিক্ষা ও সবুজ রূপান্তরে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিয়োগ রোডম্যাপ। এরপর তিনি বললেন, ‘সুতরাং, এটির মাধ্যমে আমাদের অংশীদারিত্বের এই নতুন অধ্যায়টি সত্যিকার অর্থেই ভালভাবে শুরু হচ্ছে।’
ইসি প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা প্রথমত একটি নতুন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে পুণরায় আলোচনা শুরু করছেন। আর এটি একটি দারুণ খবর! লেইন আরো বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, আমাদের সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায়টি গ্লোবাল গেটওয়ের আওতায় নতুন বিনিয়োগ দ্বারা জোরালো হবে। আর আমরা এটি নিয়েই আলোচনা করেছি।’
আরও পড়ুনঃ “আমরা আটঘাট বেঁধে নেমেছি; অলিগলিতেও পালানোর পথ পাবেন না”





