গাজায় যে নৃশংসতা সাধারণ মানুষের ওপর হচ্ছে তার চেয়েও ভয়ংকর বিএনপি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গাজায় যে নৃশংসতা সাধারণ মানুষের ওপর হচ্ছে তার চেয়েও ভয়ংকর তারা। আমাদের নারী কর্মীরাও রেহাই পাইনি তাদের নির্যাতন থেকে। অনেককেই তারা তাদের পোশাক ধরে টানাটানি করেছে, আঘাত করেছে মারধর করেছে। মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সড়ক-নৌ ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে; কিন্তু তাদের দলের মহাসচিব তো জেলে; এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবে কে?
রাজনীতিতে এমন কিছু ভুল আছে যেগুলো সংশোধন করার সময় অনেক সময় থাকে না। বিএনপি এমন কিছু দৃশ্যমান অপরাধ, আন্দোলনের নামে করেছে; যেটা আজকে গাজায় যে নৃশংসতা সাধারণ মানুষের ওপর হচ্ছে তার চেয়েও ভয়ংকর তারা। আমাদের নারী কর্মীরাও রেহাই পাইনি তাদের নির্যাতন থেকে। অনেককেই তারা তাদের পোশাক ধরে টানাটানি করেছে, আঘাত করেছে মারধর করেছে। মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে তিনি বলেন, তাহলে কী সাংবাদিকরা তাদের আসল রুপ নিয়ে লেখার কারণে নির্যাতন করা হয়েছে। সাংবাদিকরা যা দেখেছে তাই তো লিখবে এবং বলবে এটাই তাদের অপরাধ। এই জন্য বিএনপি তাদের ওপর হামলা করেছে। যাদের বিবেক আছে, বিবেকবান মানুষ সত্যের পক্ষে বলে ও সত্যের সাধনা করে। এধরনের মানুষ বিএনপির চোখে ভালো নয়। প্রত্যেকেই অপরাধী।
অবরোধের নেতৃত্ব দেবে কে এমন প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন, ২৮ তারিখে সরকার পতন, ২৯ তারিখে নতুন সরকার গঠন; এমন একটা কথা হয়েছিলো তাদের মধ্যে। আজকে ৩০ তারিখেও আমরা আছি। ২৮ গেলো ২৯ গেলো কিছুই তো হলো না। অনেক রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীরা (আওয়ামী লীগ) এখনো মনে করছেন তাদের ডিউটি এখনো চলছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিজয়ের মনোভাব। এটাই আমাদের বিজয়।
তিনি বলেন, বিএনপি যখন চূড়ান্ত আন্দোলনের কথা বলে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পদযাত্রা শুরু করেছিলো তখনই বলেছিলাম, এটাই তাদের পতনযাত্রা। ফখরুল সাহেব জেলে, বাকিরা পালিয়েছেন। অবরোধের নেতৃত্ব দেবে কে?
বিএনপির সমর্থক গতকাল গাড়িতে আগুন দিয়ে পালাতে গিয়ে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাড়ে উঠেন। এরপর সেখান থেকে লাফ দিয়ে পড়ে মারা গেছেন। তাকে আবার তাদের আন্দোলনের শহীদ হিসেবে অ্যাখ্যা দিচ্ছেন নেতারা।
পুলিশ সদস্যকে তারা যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এটাই বিএনপির আসল রুপ। বিএনপির কর্মীরা কী বলবেন, কর্মীদের কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে অতিরিক্ত কাপড় নিয়ে ঢাকায় আসতে বলেছিলেন নেতারা। বিএনপির কর্মীরা এখন বাড়ি ফিরতে ফিরতে বলছেন তারেক ভুয়া, ফখরুল ভুয়া। কেউ কেউ কান ধরে বলেছেন, এই দল আর করবো না যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।
আরও পড়ুনঃ ইসলামের মর্মবাণী তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী





