দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর আন্তরিকতা ও ভালোবাসাপূর্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২৬ মে (মঙ্গলবার) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় কোরবানির প্রকৃত মর্মার্থ বুকে ধারণ করে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন থেকে সব ধরনের সংকীর্ণতা, হিংসা ও অহংকার পরিহার করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় ঈদুল আজহার ঐতিহাসিক তাৎপর্য স্মরণ করে বলেন, কোরবানি কেবল একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি মানুষের মনের ভেতরের পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়ার এক মহান দীক্ষা।
হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর যে অতুলনীয় আত্মত্যাগের ইতিহাস, তা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধৈর্য, সহনশীলতা এবং ত্যাগের চর্চা করতে শেখায়। তিনি উল্লেখ করেন, ঈদের এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পাবে যখন আমরা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। উৎসবের মূল লক্ষ্যই হলো ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য ভুলে সবাইকে এক সুতোয় বাঁধা।
শুভেচ্ছা বার্তায় দেশের চলমান অগ্রগতি বজায় রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব আজ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন এই পবিত্র উৎসবের উসিলায় দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি ও টেকসই সমৃদ্ধি নেমে আসে এবং বিশ্বজুড়ে সব ধরনের অশান্তির অবসান ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহার মহিমান্বিত আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে দেশের প্রতিটি ঘর। ত্যাগের যে মহান বার্তা নিয়ে এই ঈদ আমাদের মাঝে হাজির হয়, তা যেন কেবল উৎসবের দিনেই সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং সারা বছর আমাদের পথ দেখায়।
পারস্পরিক পরমতসহিষ্ণুতা এবং ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে একটি সুখী, সুন্দর ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাই একসঙ্গে কাজ করবে—পবিত্র ঈদের এই ক্ষণে এটাই হোক সবার অঙ্গীকার।





