“সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ফল মেনে নেবে বিএনপি, এটাই গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র”
নির্বাচন যদি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং বিতর্কহীন হয়, তবে তার ফলাফল মেনে নিতে কোনো দ্বিধা নেই বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট প্রতিফলিত হলে আজ থেকেই দেশে এক নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সূচনা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সারা দেশে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দুপুরের দিকে রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফেরেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সেখানে উপস্থিত দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থান ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, “আমরা সবসময়ই বলে এসেছি, ভোটের অধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিতর্কহীন হয়, তাহলে কেন মেনে নেবো না? আমরা শুধু নই, সব দলই সেই ফলাফল মেনে নেবে।” তবে এই মেনে নেওয়ার পেছনে একটি বড় ‘শর্ত’ জুড়ে দিয়েছেন তিনি। তার মতে, ভোট হতে হবে সম্পূর্ণ ভয়ভীতিমুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনকালীন সরকার এবং ভোটের পরিবেশ নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তারেক রহমানের আজকের বক্তব্যে তার প্রতিফলন দেখা গেছে। তিনি মনে করেন, একটি সঠিক নির্বাচনই পারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসন করতে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জনগণ যদি নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তবে আজ থেকেই দেশে গণতান্ত্রিক সূচনা হতে পারে।” তার এই বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, বিএনপি এই নির্বাচনকে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছে। তিনি আরও যোগ করেন, জনগণের রায়কে সম্মান জানানোই প্রকৃত রাজনীতির বৈশিষ্ট্য। তবে ভোটারদের কেন্দ্রে আসার পথে কোনো বাধা বা কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।





