‘দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার ও সেনাবাহিনী সম্পূরক হিসেবে কাজ করছে’
সেনাবাহিনী সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকার ও সেনাবাহিনী দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একে অপরের সম্পূরক হিসেবে কাজ করছে। এছাড়াও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এবং জনগণের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগকে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করছে।
সোমবার সেনানিবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উল-দৌলা জানিয়েছেন, সরকার ও সেনাবাহিনী অত্যন্ত সুন্দরভাবে এবং ওতপ্রোতভাবে একে অপরের সম্পূরক হিসেবে কাজ করছে।
করিডর ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এবং এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর অবস্থান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “করিডোরের বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এটি আমাদের সবার দেশ, এবং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আমরা সবাই জড়িত। এ বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনা যে পর্যায়ে গেছে, বিষয়টি ততটা নয়। সরকার ও সেনাবাহিনী একে অপরের সহযোগিতায় কাজ করছে। করিডোরের সঙ্গে আরসার বর্ডার মুভমেন্টের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও আরও সুন্দরভাবে কাজ করব।”
চট্টগ্রামে কেএনএফ’র ৩০ হাজার ইউনিফর্ম পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “কেএনএফ একটি বম কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠন। এই ইউনিফর্ম কাদের জন্য তৈরি, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ১২ হাজার জনসংখ্যার এই সম্প্রদায়ের জন্য ৩০ হাজার ইউনিফর্ম কেন, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এটি দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত, এবং আমরা বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বাংলাদেশের বর্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং আরসার কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা কখনোই বর্ডার কম্প্রোমাইজ করিনি এবং করব না। বাংলাদেশ-মিয়ানমার বর্ডার জটিল পরিস্থিতিতে রয়েছে। আরাকান আর্মি রাখাইনের ৮৫-৯০% দখল করেছে, এবং মিয়ানমারের সরকারের অস্তিত্ব সংকটে। এই ঘোলাটে পরিস্থিতিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর মুভমেন্ট অস্বাভাবিক নয়, তবে আমরা তা স্বীকৃতি দিচ্ছি না। বিজিবি ও সেনাবাহিনী বর্ডারে কঠোর নজরদারি রাখছে, যাতে সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত না হয়।”





