“প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া হয়েছে”
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীতে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান মাসের পর থেকে এখনো তেল-চিনির দাম ভারসাম্য অবস্থায় আছে। ধান-চাল আমদানিতে কর দুই-এক শতাংশ করা হয়েছে বাজেটে।
দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন এক কোটি নাগরিক ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য পাচ্ছেন। আসন্ন বাজেটের মেয়াদে ন্যায্যমূল্যে পণ্য দিতে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য দেওয়ার কাজ চলছে। এটা হলে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে নতুন করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আগে ট্রাকসেলের মাধ্যমে ভোগ্যপণ্য ভর্তুকি মূল্যে বিতরণ হয়ে আসছিল। এখন পাশাপাশি স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে ভোগ্যপণ্য বিক্রি করা হবে।’
এর আগে বৈশ্বিক প্রভাব অর্থনীতিতে পড়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ঘরে রয়েছে। পৃথিবীর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়িয়েছে। যার চাপ ডলারে পড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার অবমুল্যায়ন মূল্যস্ফীতির বড় কারণ। আগামী বছরে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে।’





