মাধ্যমিক শিক্ষায় সহায়তা করতে বাংলাদেশকে ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
করোনাকালে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে, সশরীরে ও অনলাইন পাঠদানের মিশ্র পদ্ধতি নিশ্চিত করতে, শেখার ফলাফলের মান উন্নয়নে এবং শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমিয়ে আনতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।
আজ শনিবার বিশ্বব্যাংকের সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার এ ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংকের বোর্ড অব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরস।
বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, লার্নিং এক্সালেরেশেন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (এলএআইএসই) অপারেশন সরকারের মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রমকে সহযোগিতা করবে। শিক্ষাকে ত্বরান্বিত করার স্বার্থে এই প্রোগ্রামটিতে ষষ্ঠ শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণির গণিত, ইংরেজি এবং বাংলার মতো মূল বিষয়গুলোতে নজর দেয়া হবে। কেননা, এগুলো হচ্ছে ভবিষ্যৎ শিক্ষার ভিত্তি। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতের দক্ষতা বর্তমান ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া এবং বাংলায় দক্ষতা ৬৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশে উন্নীত করা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। দেশটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লিঙ্গ সমতা অর্জনকারী প্রথম কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় দেশটির শিক্ষার ওপর গভীরভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে অনেক দরিদ্র মেয়ে স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। শেখার ফলাফল এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করে শেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক। যাতে শিক্ষার্থীরা সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপন এবং সমাজে সংগ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেন।





