‘সমুদ্রসীমা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট’
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত দুটি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব বাহিনীকে সক্ষম ও উপযুক্ত করে গড়ে তুলছে বর্তমান সরকার।
৩০ অক্টোবর নৌবাহিনীর এভিয়েশন বহরে দুটি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট সংযোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না। বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষায় আমাদের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সবসময় ধরে রাখতে পারি। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা সব প্রতিষ্ঠানকে (বাহিনীকে) উপযুক্ত করে তৈরি করছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সুশৃঙ্খল সশস্ত্রবাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিপুলভাবে প্রশংসিত। ২০১০ সাল থেকে ভূ-মধ্যসাগরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অংশ হিসেবে আমাদের যুদ্ধ জাহাজ সার্বক্ষণিকভাবে অংশগ্রহণ করছে। দক্ষিণ সুদানেও নৌবাহিনীর কনটিনজেন্ট অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।’
তিনি বলেন, ‘শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়াও এ বাহিনী নিয়মিতভাবে বহু জাতীয় এক্সারসাইজ, বঙ্গোপসাগরে কোয়ার্ডিনেটেড পেট্রল ও কূটনৈতিক সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মেরিটাইম সিকিউরিটিকে সুসংহত করে চলেছে। আমি এ কর্মমুখর নৌবাহিনীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’
শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অথনৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। কিন্তু করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমাদের উন্নয়নের গতিটা কিছুটা শ্লথ হয়ে গেছে।
বিশ্বব্যাপী মন্দার বিষয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপী উন্নত দেশগুলোও এখন হিমশিম খাচ্ছে। সেই অবস্থার মধ্য দিয়ে আমাদের চলতে হচ্ছে। আমরা নিজেদের সম্পদ এবং মাটি ও মানুষ দিয়েই এ দেশকে সুরক্ষিত রাখবো।





