সংসদ সদস্যদের শপথে বিকল্প পথ জানালেন আসিফ নজরুল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়ে বিদ্যমান সাংবিধানিক ধোঁয়াশা কাটতে শুরু করেছে। বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তি—সম্ভবত প্রধান বিচারপতি—অথবা নির্বাচনের তিন দিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নতুন এমপিদের শপথ পাঠ করাতে পারেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যাখ্যা দেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়া সচল রাখতে সরকার যে বিকল্প পথ খুঁজছে, উপদেষ্টার বক্তব্যে তা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
বাংলাদেশের সংবিধানে সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকারের হাতে নতুন নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান রয়েছে। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে এই দায়িত্ব পালন করার কথা ডেপুটি স্পিকারের। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন এবং তার অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন, “সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের শপথ পড়ানোর কোনো সুযোগ বর্তমানে নেই। সংবিধানেই বিকল্প রাস্তা আছে। যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার না থাকেন, তবে রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তি এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন।”





