“বাংলাদেশের ফার্নিচারের কোয়ালিটি বিশ্বের যে কোনো দেশেরই নজর কাড়বে”
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশের ফার্নিচার খাত খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি শক্তিশালী খাতে রূপান্তরিত হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখন বিদেশেও ফার্নিচার রফতানি হচ্ছে। বাংলাদেশের ফার্নিচারের যে কোয়ালিটি, ডিজাইন ও আধুনিকতা, তা বিশ্বের যে কোনো দেশেরই নজর কাড়বে এবং তারা বাংলাদেশি ফার্নিচার নিতে আগ্রহী হবে।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি আয়োজিত ‘১৮তম জাতীয় ফার্নিচার মেলা‘-২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির মাধ্যমে দেশীয় ফার্নিচার বিদেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প খাত আজ যে অবস্থানে এসেছে, এটি একদিনে হয়নি। বর্তমানে ফার্নিচার খাতে ১১০ থেকে ১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি হচ্ছে বলে যে তথ্য দেয়া হচ্ছে, তা এই অবস্থায় থাকবে না। এই খাতে বিগত ১০ থেকে ১২ বছরে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, তাতে খুব শিগগিরই এই খাত রফতানিতে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, টেকসই ফার্নিচার শিল্প গড়ে তুলতে পারলে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। যে পরিমাণ শ্রমিক এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত, তা দিয়ে দ্বিগুণ আয় করা সম্ভব।
ফার্নিচার তৈরিতে যেসব মেটেরিয়ালস আমদানি করতে হয়, সেগুলো দেশেই উৎপাদনে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
রফতানির ক্ষেত্রে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ফার্নিচার শিল্পের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান শতভাগ রফতানিমুখী হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
এই খাত অনেক বেশি সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে আরও বেশি বিনিয়োগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বানও জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক লড়াই-আন্দোলন-সংগ্রাম করে আমাদের এই প্রিয় দেশ স্বাধীন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশ আজ বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে পাকিস্তানসহ পার্শ্ববর্তী অনেক দেশকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে গেলেই বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শোনা যায়, যা বাঙালি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।’
আরও পড়ুনঃ “যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানির দামের ওপর পড়লে কেবল বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বই ক্ষতিগ্রস্ত হবে”




