জিডিপির ৩০% এসএমই অবদান, ‘বায়ার-সেলার সামিট ২০২৫’ নতুন বাজারের পথ খুলল
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাত দেশের জিডিপিতে প্রায় ৩০ শতাংশ অবদান রাখছে এবং কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশ সৃষ্টি করছে। তিনি জানান, এসএমই ফাউন্ডেশন নীতি সহায়তা, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে কাজ করছে, এবং এ পর্যন্ত ২,৮০০ উদ্যোক্তাকে ১৮৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থপতি ইনস্টিটিউটের মাল্টিপারপাস হলে এসএমই ফাউন্ডেশন ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ, বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বায়ার-সেলার সামিট ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আদিলুর রহমান খান বলেন, “এই সামিট উদ্যোক্তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, নতুন বাজারের দ্বার উন্মোচন করবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্ক জোরদার করবে।” তিনি আরও জানান, এই আয়োজন ক্লাস্টারভিত্তিক তৃণমূল উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিক ক্রেতাদের সঙ্গে সংযুক্ত করবে, নতুন বাজার সৃষ্টি করবে এবং মেন্টরিংয়ের মাধ্যমে তাদের ব্যবসায়িক বিকাশে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেম, সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি, এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মুশফিকুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ অসংখ্য উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন। আনোয়ার হোসেন চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
সামিটে লেদার, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, তাঁত, হোম টেক্সটাইল, বাঁশ-বেত, কাঠ, মৃৎশিল্প এবং জুয়েলারি খাতের ১৭টি ক্লাস্টার এবং নারী উদ্যোক্তা পরিচালিত ১২টি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪৬ জন উদ্যোক্তা তাদের সিগনেচার পণ্য প্রদর্শন করেন। প্রায় ৫০টি বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। আলোচনা শেষে শিল্প উপদেষ্টা ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ডিরেক্টর উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।





