জানুয়ারিতে সব শ্রেণির নতুন বই দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে: অর্থ উপদেষ্টা
সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পাঠ্যবই আমরা দ্রুত চাচ্ছি। আজকের বৈঠকে নবম, দশম শ্রেণির পাঠ্যবই মুদ্রণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেনারেল এডুকেশন প্লাস মাদরাসার (সাধারণ শিক্ষা ও মাদরাসার জন্য)। জানুয়ারির মধ্যে আমরা পাঠ্যবই করে ফেলতে বলেছি। চেষ্টা করবে, তবে জানুয়ারির মধ্যে হয়তো সবগুলো করে ফেলতে পারবে না।
বুধবার অর্থ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের হাতে দ্রুত নতুন পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে নবম ও দশম শ্রেণি এবং ইবতেদায়ির (চতুর্থ ও পঞ্চম) ১২ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬২৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে এক হাজার ৩৮ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার ২২৭ টাকা।
সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারি বই পাবে কি না? জবাবে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজ যেটা আমরা অনুমোদন দিয়েছি, সেটা তারা অলরেডি কাজ শুরু করে দিয়েছে। অনেক ব্যস্ত প্রেস, চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন) নবম শ্রেণি, দাখিল নবম শ্রেণি ও কারিগারি নবম শ্রেণির বিনামূল্যের ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৫৪০টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবারের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ২১১টি দরপত্রের মাধ্যমে এই পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৫২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪৭৫ টাকা। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবারের প্রস্তাব আসে।
সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মাধ্যমিক বাংলা ভার্সন ১০, শ্রেণির এক কোটি ১০ হাজার ৯৮১টি পাঠ্যপুস্তাক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবারের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। বিনামূল্যের এই পাঠ্যপুস্ত ৩৬টি দরপত্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ২২ হাজার ৫৭৯ টাকা।





