একই দিনে দুই দিবস, পর্যটকে মুখরিত ছিলো কক্সবাজার
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এবং পহেলা ফাল্গুন এবার একই দিনে পালিত হলো দুই দিবস। আর এই উপলক্ষ্যে সমুদ্রের সান্নিধ্যে প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা জানাতে সৈকতে ভিড় করেন অগণিত পর্যটক ও বিনোদনপ্রেমী। নানা আয়োজন মুখরিত ছিল কক্সবাজার।
দিনটিতে মানুষের ঢল নামে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে। কেউ প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে, কেউ আবার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ছুটে এসেছেন ঢেউয়ের সান্নিধ্যে। পর্যটকের পাশাপাশি পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন স্থানীয়রাও। ভ্রমণপিপাসুরা ঘুরছেন পাহাড়-সমুদ্রের সেতু বন্ধনে মেরিনড্রাইভ সড়কসহ সৈকতের ডজনাধিক পয়েন্টে। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় ছিল প্রশাসনের নজরদারি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশেষ দিন বলে কথা নেই- যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রয়েছে।
এদিকে, দিবস ঘিরে ফাগুন উৎসব আয়োজন করেছে তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইস লিমিটেড। হোটেলের পরিচালক আবদুল কাদের মিশু বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকতকে ঘিরে এগুচ্ছে কক্সবাজারের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প। তারকা হোটেল হিসেবে পর্যটকদের বিলাসী জীবনে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের সঙ্গে আমরা আয়োজন করেছি ঋতুরাজ বসন্ত বরণে ‘ফাগুন উৎসব’। উৎসবে পিঠামেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ঘোষণা করা হয়েছে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার প্যাকেজ। এতে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে হবে র্যাফেল ড্র। বিজয়ীদের মাঝে ডায়মন্ড রিং, হোটেলে ফ্রি থাকাসহ নানা উপহার দেওয়া হয়েছে। হোটেল গেস্টসহ সবার জন্য উন্মুক্ত পার্কিং এরিয়ার অনুষ্ঠান।
চট্টগ্রাম থেকে আসা এক পর্যটক জানান, শুরু হয়েছে বসন্ত। তার সঙ্গে মিলেছে ভালোবাসা দিবস। সময়টা উপভোগ্য করতে স্বামীকে নিয়ে সৈকত শহরে হানিমুনে এসেছি।
ঢাকা থেকে আসা এক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সামনে রেখে সোমবার বন্ধুরা একসঙ্গে মজা করতে কক্সবাজার এসেছি। কলাতলী থেকে ইনানী সি-পার্ল পর্যন্ত কতটা নান্দনিক সৌন্দর্য তা এখানে না এলে বোঝা যেত না।
আরও পড়ুনঃ তৈরী পোশাকের নতুন বাজার অনুসন্ধান করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর





