‘হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় যে কোনো অরাজকতা কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি’
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বস্তরের জনগণকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার জোর আহ্বান জানিয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সরকার এই রায়ের গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করে দেশবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রায়-পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা, উত্তেজনাপ্রসূত আচরণ, সহিংসতা বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজনসহ জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই রায়কে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই আবেগ সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু সেই আবেগের বশবর্তী হয়ে যেন কেউ জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয়।
সরকার এ বিষয়ে দৃঢ়ভাবে সকলকে সতর্ক করছে এবং স্পষ্ট করে জানাচ্ছে—এক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা বা জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
রায় ঘোষণার পরপরই ঢাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে র্যাব-পুলিশের যৌথ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া মাত্র ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে সাইবার মনিটরিং টিম সক্রিয় রয়েছে।
সরকারের এই বিবৃতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শেষ হয়েছে।





