শেয়ার কারসাজি-মানিলন্ডারিং মামলায় সাকিবকে দুদকের তলব
শেয়ারবাজার কারসাজি, অবৈধ লেনদেন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানসহ ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ দুদকের নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান,
আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর ধারাবাহিকভাবে ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মামলার ২ নম্বর আসামি সাকিব আল হাসানকে ২৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে (সেগুনবাগিচা) হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক মো. আবুল খায়ের (হিরু)। গত ১৭ জুন দুদকের উপ-পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এবং দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় এ মামলা দায়ের করেন।
আবুল খায়ের তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টে ‘সিরিজ ট্রানজেকশন’, ‘অ্যাক্টিভ ট্রেডিং’ ও ‘গ্যাম্বলিং স্পেকুলেশন’-এর মাধ্যমে শেয়ার দর কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফাঁদে ফেলেন।
এতে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি: ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
কারসাজি থেকে অর্জিত ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করে উৎস গোপন করা হয়।
আবুল খায়েরের ১৭টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেন: ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
দুদক জানায়, তদন্তের এ পর্যায়ে আসামিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হচ্ছে। সাকিব ছাড়াও তলব করা অন্য আসব আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা, বেনিফিশিয়ারি ওনার এবং সহযোগীরা।
এর আগে সাকিবের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক লাভ, অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহার ও কারসাজিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছিল। দুদকের এ তলবের পর ক্রিকেট ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।





