রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: গৌরবের অগ্রযাত্রায় নতুন প্রত্যয়
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছে এবং আগামী দিনে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক রফিকুল আবরার বলেন, “জুলাই মাসে এমন একটি অনুষ্ঠানে তরুণদের সঙ্গে একত্রিত হতে পেরে আমি গর্বিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আনন্দময় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠালক্ষ্য ধারণ করার প্রত্যাশা রাখি।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রশাসনকে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর জন্য অভিনন্দন জানান।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রশাসন ভবন-১-এর সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে। এরপর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি শোভাযাত্রা সিনেট ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সিনেট ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাস ও চলমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
বক্তারা জানান, ১৯৫৩ সালে মাত্র ১৬১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বিদ্যাপীঠ শহীদ ড. শামসুজ্জোহার স্মৃতিবিজড়িত। তবে, ৭১ বছর পরও শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার, আবাসন, গবেষণা ও চিকিৎসা সুবিধার ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে। তারা বলেন, “২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টা চলছে।”
অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছি।” রেজিস্ট্রার প্রফেসর ইফতেষারুল আলম মাসুদ বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য আমাদের গর্বের। তবে, আমাদের লক্ষ্য এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। আমরা তরুণদের সঙ্গে নিয়ে এই অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিতে চাই।”





