Home > দেশ সংযোগ > জরায়ুমুখ ক্যানসারের টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জরায়ুমুখ ক্যানসারের টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশেও সার্ভিকাল ক্যানসার বা জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা এইচপিভি দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৭ হাজার নারী এই রোগে আক্রান্ত হন এবং সাড়ে ৬ হাজার মারা যান। টিকা দিতে পারলে মৃত্যু, সংক্রমণ কমে যাবে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস টিকা প্রদান’ সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিনামূল্যে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে এই টিকা দেয়া হবে। স্কুল থেকে এই টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে। কারণ ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের এই টিকা দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে এই বয়সি সব মেয়েকে এই টিকা দেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সাড়ে ২৩ লাখ টিকা হাতে পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর ও ময়মনসিংহে দেয়া হবে। নভেম্বরে আরও ২০ লাখ এবং ডিসেম্বরে ১২ লাখ টিকা পাওয়া যাবে। আগামী বছরে ৪২ লাখ টিকা এবং ২০২৫ সালে ২৩ লাখ টিকা পাওয়া যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই টিকা আমাদের দেবে।

এ সময় ডেঙ্গু নিয়ে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে এই মশার জন্ম হয়, সেখানে স্প্রে করে লার্ভা ধ্বংস করতে হবে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা আছে, তাদের আমরা পরামর্শ দিয়েছি—আপনারা এই প্রোগ্রাম সারা বছর চালাবেন। যে সময় ডেঙ্গু রোগী দেখা দেবে‍, সে সময় শুধু না করে, সারা বছর পরিকল্পিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। সিটি করপোরেশনের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা তো চিকিৎসা দিই, চিকিৎসা দেয়ার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেয়ার দরকার তা নিয়েছি ।

তিনি বলেন, রোগীর অবস্থা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যায়, মৃত্যুবরণ করেন। এজন্য চিকিৎসকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের দরকার আছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। জনগণকে অবহিত করছি, কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়। এটা একটা মাল্টিসেক্টরাল অ্যাপ্রোস, সবাই মিলে কাজ করতে হবে। আমরা চিকিৎসা দেব, কলকারখানায় স্প্রে করার বিষয়টি শিল্প মন্ত্রণালয় বা সিটি করপোরেশন থেকে হতে পারে, আমরা সেটি দেব। পৌরসভা আছে, প্রতিটি জেলা থেকে ডেঙ্গু রোগী পাচ্ছি অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় এডিস মশা বিস্তার লাভ করেছে। কাজেই সারা দেশে এই কার্যক্রমটা হওয়া প্রয়োজন।

সূত্রঃ বাসস

আরও পড়ুনঃ এসব কারণে শিশুরা একগুঁয়ে হয়ে যায়