সমাজে পিছিয়ে পড়াদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রান্তকিতা দূর করে সমাজে পিছিয়ে পড়াদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজে এখনো প্রান্তিক মানুষ আছে এবং সেই প্রান্তিকতা নানা কারণে হয়ে থাকে। কোথাও ভৌগোলিক, কোথাও অবস্থানগত, আর্থিক, বৃত্তি ও সাম্প্রদায়িক কারণে। সেই প্রান্তিকতা দূর করার জন্য বঙ্গবন্ধু বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কল্যাণমুখী রাষ্ট্র তৈরি করার জন্য কাজ করে চলছেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে। তাঁর মাধ্যমেই এই প্রান্তকিতা দূর করে সমাজের পিছিয়ে পড়া প্রত্যেক মানুষকে উন্নয়নের যে মূলধারা সেখানে সম্পৃক্ত করতে চাই।
আজ চাঁদপুর শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী উদ্যমী নারী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এক তথ্যবিবরণীতে একথা জানানো হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এই প্রান্তিকতা দূর করতে গেলে চ্যালেঞ্জতো কিছুটা আছেই। আর্থিক কিছু চ্যালেঞ্জ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলোকে আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। আর এসব কাজ আমাদের সকলে মিলেই করতে হবে।
ডা. দীপু মনি বলেন, বাংলাদেশের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে নারী নেই। নারী শুধু আছে তাই নয়, বহু সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় এখন নারী আছে। কিন্তু তারপরেও আরো অনেক দূর যাওয়ার আছে আমাদের। সে কারণে আমাদের নারী-পুরুষ সকলকেই সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। নারীরা এগিয়ে আসা মানে পুরুষের পিছিয়ে যাওয়া নয়। নারী এগিয়ে যাওয়া মানে সমাজের সকলের এগিয়ে যাওয়া। যে কারণে সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সকলকেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
নারীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, নারীরা উদ্যোক্তা হয়ে তাদের আয় রোজগারের ব্যবস্থা করছেন তাই নয়, তারা অন্যদের কর্মসংস্থান তৈরি করছেন। নারীর জয় শুধু নারীর নয়, সমাজেরই জয়। সমাজের অর্ধেককে পিছনে রেখে কিংবা তাদেরকে কাজে না লাগিয়ে একটি সমাজের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি বিকশিত করতে পারি না। নারীকে পিছনে রেখে সমাজ কিন্তু এগিয়ে যেতে পারে না। যে কারণে আমাদের বঙ্গবন্ধু সমাজের যে বৈষাম্যহীনতা চেয়েছেন, সেখানে তিনি নারী-পুরুষ উভয়ের সমতাও চেয়েছেন। তা তিনি আমাদের সংবিধানেও যুক্ত করেছেন।





