শিশুদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন
ডেঙ্গু হল মশা দ্বারা ছড়ানো একটি মারাত্মক রোগ , যা সাধারণত দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের শিকার করে। এমতাবস্থায় শিশু ও বৃদ্ধরা এতে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। এমতাবস্থায় শিশুদের এই মারাত্মক রোগ এবং এর মারাত্মক পরিণতি থেকে রক্ষা করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আপনিও যদি আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখতে চান, তাহলে এই বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ যত্ন নিন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের সর্বোত্তম এবং সহজ উপায় হল মশা থেকে নিজেকে রক্ষা করা। এমতাবস্থায় আপনার বাচ্চাদের মশা থেকে দূরে রাখতে তাদের হালকা, ঢিলেঢালা এবং ফুলহাতা কাপড় পরান। এটি করলে তারা মশার হাত থেকে রক্ষা পাবে। এছাড়াও, সন্ধ্যা বা রাতে তাদের বাড়ির বাইরে যেতে দেবেন না।
ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে আপনার ঘর এবং এর আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখা জরুরি। এছাড়াও, মনে রাখবেন আপনার বাড়ির আশেপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, কারণ এই পানিতে মশা সহজেই বংশবৃদ্ধি করে। এছাড়াও সন্ধ্যায় ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ করে রাখুন, যাতে মশা ঘরে ঢুকতে না পারে।
ডেঙ্গু এডিস প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু নামক ভাইরাস দ্বারা ছড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার বাচ্চাদের স্বাস্থ্যবিধির বিশেষ যত্ন নিন যাতে কোনও ধরণের জীবাণু ইত্যাদি এড়াতে পারে। এর জন্য, আপনার বাচ্চাদের খাওয়ার আগে, স্কুল থেকে ফেরার পরে এবং সম্ভাব্য দূষিত বস্তু স্পর্শ করার পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সাধারণত ডেঙ্গু দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের এর শিকার করে। এমতাবস্থায়, আপনার বাচ্চাদের এই রোগ থেকে দূরে রাখতে, তাদের ভিটামিন এবং খনিজ জাতীয় সমস্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়ান। এর জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন কমলা, কিউই, লেবু, স্ট্রবেরি, বাঁধাকপি, ফুলকপি এবং টমেটো তাদের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করবে।
মূলত মশা দ্বারা ছড়ানো এই রোগ থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভালো উপায় হল মশাকে নিজের থেকে দূরে রাখা। এমন পরিস্থিতিতে আপনার বাচ্চাদের মশার হাত থেকে রক্ষা করতে আপনি মশারি বা যেকোনো মশা তাড়ানোর ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।
যেকোনো রোগ থেকে দূরে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যত্ন নেওয়া জরুরি। আপনার শিশুর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে, নিয়মিত চাদর, কম্বল এবং অন্যান্য গৃহস্থালী জিনিসপত্র ধুয়ে, পরিবর্তন এবং পরিষ্কার করুন।
আরও পড়ুনঃ কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী





