মেক্সিকোর এই ভুতুড়ে দ্বীপের গল্প জানেন?
মেক্সিকো শহরের দক্ষিণে জোচিমিলকো দ্বীপে নানা ভৌতিক কর্মকাণ্ড চলে। দূর থেকে দেখলে যেগুলোকে শিশুর দেহ মনে হবে আসলে ওগুলো এক একটি পুতুল! রাতের অন্ধকারে নাকি এই পুতুলরা জীবন্ত হয়ে ওঠে। তারা ফিস ফিস করে কথা বলে নিজেদের মধ্যে! নির্জন দ্বীপে কোথা থেকে এল এত পুতুল?
জানা যায় ডন জুলিয়ান সান্তানা বারেরা নামের এক ব্যক্তি নির্জন দ্বীপটিতে থাকতে শুরু করেন।স্ত্রী ও পরিবার ত্যাগ করেছিলেন জুলিয়ান ।তিনি নাকি দ্বীপে জঙ্গলে ঢাকা একটি নালা থেকে এক বাচ্চা মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
পাশের একটি হ্রদে মেয়েটি নাকি ডুবে গিয়েছিল। তারপর তার শরীর ভেসে আসে এই নালায়। এর কিছু দিন পর নালার ঠিক ওই একই জায়গায় একটি পুতুলও ভেসে আসে। এরপর থেকে জুলিয়ান সারা দিনই বাচ্চা মেয়ের ফিসফিস শুনতে শুরু করেন। তার খেলার শব্দ, ছুটে বেড়ানোর শব্দও কানে আসতে শুরু করে তাঁর। জুলিয়ান বাচ্চা মেয়েটির আত্মাকে শান্ত করার জন্য নালা থেকে তুলে পুতুলটিকে একটা গাছে ঝুলিয়ে দেন। এরপর জীবনের বাকি ৫০বছর নানা জায়গা থেকে পুতুল কুড়িয়ে এনে গাছে ঝোলাতে থাকেন। রোদে-জলে সেই পুতুলের চেহারাই হয়ে দাঁড়িয়েছে হরর ছবির ভুতুড়ে পুতুলের মতো।
জানলে চমকে উঠবেন এরপর জুলিয়ানের মৃত্যুও হয় রহস্যজনক ভাবে। যে নালায় বাচ্চা মেয়েটির মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল ঠিক সেখানেই নাকি ডুবে মারা যান জুলিয়ান! জুলিয়ানের মৃত্যুর পর তাঁর আত্মাকে তুষ্ট করতেও বাসিন্দারা দ্বীপের গাছে গাছে পুতুল ঝোলাতে শুরু করেন।আত্মার শান্তি কামনার জন্য গাছের ডালে পুতুল ঝোলানোর এই রীতি। সেই থেকে গোটা দ্বীপটিতে ছেয়ে গিয়েছে পুতুলে ।
আরও পড়ুনঃ জনস্বার্থে তিন এসপিকে অবসরে পাঠালো সরকার





