“ভারতের কাছে বার্ষিক কোটা সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ”
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ভারত থেকে আমদানিতে বার্ষিক কোটা সুবিধার অনুরোধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
টিপু মুনশি বলেন, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সম্ভাব্য খাদ্যসংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে চাল, গম, চিনি, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের প্রধান সরবরাহকারী দেশ ভারতের কাছে এসব পণ্য আমদানিতে বার্ষিক কোটা সুবিধার অনুরোধ জানিয়েছি। যাতে সংকটকালে আমাদের সমস্যা না হয়। যেমন: পেঁয়াজ ও গম বন্ধ করায় মাঝে সমস্যা হয়েছিল। তারা বলছে, আমরা যা চেয়েছি, তা তারা দিতে পারবে। কিন্তু আমরা যদি সেটি না নিই তাহলে কী হবে?
তিনি আরও বলেন, আমরা বার্ষিক কোটার জন্য যে পরিমাণ পণ্য উল্লেখ করেছিলাম, তারা সে বিষয়ে বলেছে যে আমরা (বাংলাদেশ) আন্দাজ করে বলছি। তাই সঠিক কত পরিমাণ পণ্য প্রয়োজন, সেটি তারা (ভারত) নির্ধারণ করতে বলেছে। মূলত আমরা একটু বেশি করেই চেয়েছিলাম। ভারতের কর্তৃপক্ষ বলছে, অতীতের ৭ থেকে ৮ বছরের রেকর্ড বলছে না যে আমাদের (বাংলাদেশ) এত বেশি পরিমাণ পণ্য দরকার। বাংলাদেশের জন্য রাখার পর যদি সে পণ্যগুলো না নেয়া হয়, তাহলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই উভয় পক্ষ আলোচনা করে কোটার পরিমাণ নির্ধারণ করবে।





