জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সুইডেনের অর্থায়নে নতুন প্রকল্প
সুইডেন সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা (সিডা) অর্থায়নে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে একটি নতুন প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তরে ‘স্ট্রেংদেনিং ক্যাপাসিটি অভ্ এমওএফইসিসি, ডিওই, অ্যান্ড বিএফডি ফর ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইমপ্রুভড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক প্রকল্পের অনুদান চুক্তি গ্রহণের সময় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. খায়রুল হাসান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এবং প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্বে) ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন এবং সুইডেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মারিয়া স্ট্রিডসম্যান অংশ নেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এই প্রকল্প পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বন অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াবে। এটি উদ্ভাবনী পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে, যার মধ্যে রয়েছে সংকটাপন্ন এলাকার তদারকি, পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং দেশের প্রথম ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা।”
সিডার ৫০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ৬.৪৪ কোটি টাকা) অনুদানে এই প্রকল্প তিনটি প্রধান উপাদানে কাজ করবে। প্রথমত, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩-২০৫০) এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে সামঞ্জস্য করতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এর অংশ হিসেবে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নে প্রশিক্ষণ এবং বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর দূষণ নিরীক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে।
দ্বিতীয়ত, সোনাদিয়া দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ) তদারকি ও পুনরুদ্ধার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যানগ্রোভ বন পুনঃস্থাপন, বালিয়াড়ি স্থিতিশীলকরণ এবং কচ্ছপের প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে ভিলেজ কনজারভেশন গ্রুপ (ভিসিজি) গঠন করা হবে, যারা টেকসই জীবিকা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করবে।





