“খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই”
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিদেশে চিকিৎসার জন্য কোনো আবেদন তার পরিবার করেনি। বিদেশের চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই, এক্ষেত্রে আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন।
আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। বিদেশে চিকিৎসার জন্য কোনো আবেদন তার পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়নি। আর বিদেশের চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের অনুমতি ছাড়া সম্ভব নয়।
গত ২৪ মে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক কার্যক্রম ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধাদানকারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করা হবে। তবে সম্প্রতি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এই ভিসানীতি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কাকে ভিসা দিবে কাকে দেবে না সেটি তাদের এখতিয়ার। মার্কিন ভিসা নীতির আওতায় থাকা কোনো তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আসেনি। পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গত ৯ আগষ্ট থেকে রাজধানী এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা একাধিকবার সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন—খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও হৃদ্রোগে ভুগছেন। তার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণের পাশাপাশি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠাতে একাধিকবার পরামর্শও দেয় মেডিকেল বোর্ড।
দুর্নীতি মামলায় সাজা হলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়। ২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কিছু শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে। পরবর্তীতে কয়েকদফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার।





