“আওয়ামী লীগ জনগণের গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর”
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ক্ষমতায়ন ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। এই দলের নেতৃত্বেই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে এদেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার গণমাধমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে উন্মত্ত বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সন্ত্রাসী পন্থায় সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিচ্ছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দের বক্তৃতা ও বিবৃতিতে প্রমাণিত হয় সাম্প্রতিক সময়ে পঞ্চগড়ে সংঘটিত আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলায় তারা জড়িত।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ ও আইডি থেকে গুজব ছড়িয়ে ঘটনাকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্রবাদ বাংলাদেশের অস্তিত্বের পরিপন্থী এবং গণতান্ত্রিক চেতনা ও মূল্যবোধের প্রধান শত্রু। সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান তার অসাংবিধানিক ও অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে এদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি প্রচলন এবং উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার বীষবৃক্ষ রোপন করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সবসময় রাজনীতিতে ও নির্বাচনী মাঠে গুজব ছড়িয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টির মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার কার্ড খেলে আসছে। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ও জঙ্গিবাদের প্রতিভূ হলো বিএনপি। বিএনপি-জামাত অশুভ জোট আমলে তারা বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছিল।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্তর্নিহিত আদর্শ ও চেতনার আলোকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতি নির্ধারণ করা হয়। ত্রিশ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে রচিত সংবিধানে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
আরও পড়ুনঃ “নির্বাচনে যত বাধা দেয়া হবে, ততই মনে হবে ডাল মে কুছ কালা”





