বৈশ্বিক সংকট ও যুদ্ধের প্রভাবে দেশে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের সরাসরি অভিঘাতে দেশের বাজারে আবারও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। আমদানিনির্ভর জ্বালানির এই চড়া দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নতুন করে সংকট তৈরি করেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, তেলের মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত দেশের চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে আরও দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে তুলবে।
বর্তমান পরিস্থিতির মূল বিষয়সমূহ একনজরে
-
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম হু হু করে বাড়াতে শুরু করেছে।
-
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পণ্য পরিবহন খরচ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।
-
জ্বালানির দাম একলাফে বাড়ানোর ফলে বছর শেষে সরকারের কিছু সাশ্রয় হলেও নাগরিকদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
-
দেশের বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে অবস্থান করায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও আমদানিনির্ভরতার সংকট
বর্তমান ভূ-রাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহের আন্তর্জাতিক রুটগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানির ওপর নির্ভর করে মেটায়, ফলে বিশ্ববাজারের যেকোনো ছোট ধাক্কাও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। পেট্রলপাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের মতো দৃশ্যগুলো আবারও জানান দিচ্ছে যে সংকট কতটা গভীর। শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বাসাবাড়ির রান্না পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে এর নেতিবাচক আঁচ লেগেছে।





