‘অ্যাডাল্ট’ প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট আছে এক-তৃতীয়াংশ ব্রিটিশ শিশুর
যুক্তরাজ্যের প্রতি তিনটি শিশুর মধ্যে একজন বয়স লুকিয়ে, ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলেছে বলে জানিয়েছে সেখানকার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্য অফিস অফ কমিউনিকেশনস (অফকম)।
বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম প্লাটফর্মে অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপস্থিতি ঠেকানোর লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে নীতিমালা থাকলেও শিশুরা সহজেই তাতে ধোঁকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলছে । এতে শিশুদের অনুপযুক্ত এবং ক্ষতিকর কনটেন্টের মুখে পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে দাবি সংস্থাটির।
এ বিষয়ে অফকম প্রতিনিধি অ্যানা-সোফি হার্লিং বলেছেন, সামাজিক মাধ্যমগুলো যেভাবে বয়সের ভিত্তিতে ব্যবহারকারীদের শ্রেণীভূক্ত করে, সে প্রক্রিয়ার বড় প্রভাব রয়েছে ব্যবহারকারীদের যে কনটেন্ট দেখানো হচ্ছে তার ওপর। আমরা যখন ১৮ বছরের কম বয়সীদের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ে কথা বলি, প্রকৃতপক্ষে ওই কনটেন্টের বিরূপ প্রভাব অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর এর চেয়েও গুরুতর হতে পারে, কারণ তারা এখনও বড় হচ্ছে। শিশুরা যখন বারবার এমন ছবি এবং ভিডিও দেখে যাতে একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করা হচ্ছে, তখন কার্যত তাদেরকে নিজেদের অথবা বন্ধুদের সম্পর্কে ভিন্নভাবে ভাবতে এবং ভিন্ন আচরণের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।
অফকমের অনুদানের গবেষণায় উঠে এসেছে, যুক্তরাজ্যের ৩২ শতাংশ শিশু এমন সব প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খুলে রেখেছে যা মূলত ‘অ্যাডাল্ট’ বা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। আট থেকে ১৫ বছর বয়সী ৪৭ শতাংশ শিশু সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে নিজের বয়স উল্লেখ করেছে ১৬ বা তার বেশি হিসেবে। সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট আছে ১৩ বছরের কম বয়সী ৬০ শতাংশ শিশুর। যদিও বেশিরভাগ সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে যোগ দেওয়ার নূন্যতম বয়সসীমা ১৩ বা তার বেশি।
আরও পড়ুনঃ হোয়াটসঅ্যাপে নেয়া যাবে না স্ক্রিনশট





