রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাসহ ৯ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন ও আব্দুল খালেক; কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে; ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব; সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।
এর মধ্যে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি তিনি দলের মনোনয়ন না পেয়েও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। একইভাবে সাইফুল আলম নীরবসহ অন্যরাও দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হয়েছেন।
বিএনপির এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো যখন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারাদেশ শোকাচ্ছন্ন। তবে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় হাইকমান্ড কোনো ছাড় দিতে নারাজ বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। এই বহিষ্কারের ফলে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ ঐক্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।





