বাঁকখালীর তীরে শিগগির উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হবে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শিগগির উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করে বাঁকখালীর প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের বদরমোকাম এলাকায় বাঁকখালী নদীর দখল হয়ে যাওয়া কস্তুরাঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছি বাঁকখালী নদী এ জেলার প্রাণ। নদীর পুরোনো চিত্র দেখেছি। বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হলো দখল-দূষণে প্রায় মুমূর্ষু অবস্থা। আমরা নদীবন্দর করবো, আর দখলকারেরা নদীর তীর দখল করে অট্টালিকা বানাবে, এটাতো হতে দেওয়া যায় না। নৌ-মন্ত্রণালয় উচ্ছেদের বিষয়টি দেখবে, আর পরিবেশ মন্ত্রণালয় দেখবে পরিবেশ বিষয়ক ক্ষতিপূরণ।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন শহরের বদরমোকাম মসজিদ সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাট পর্যবেক্ষণে আসেন। তারা নবনির্মিত কক্সবাজার-খুরুশকুল ব্রিজ ও আশপাশ এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিবেশবিদদের মতে, প্রায় প্রতিদিনই প্রভাবশালীদের নগ্নথাবায় বাঁকখালীর চরে কোথাও না কোথাও পাকা দালান উঠছে। প্রশাসনের সীমাবদ্ধতার অযুহাত এবং আইনি জটিলতায় বেপরোয়া দখলের প্রতিযোগিতা চলছেই। অনেকটা অভিভাবকহীন জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ নদী।





