দুই সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গা
ছয় মাস ধরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত দুই সপ্তাহে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছেন প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গা। সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ার চেষ্টায় রয়েছেন আরও প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা।
আজ শনিবারও সারাদিন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে আতঙ্কিত ছিলেন টেকনাফের বাসিন্দারাও।
সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপ এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির ও আরও একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠনের সংঘাত চললেও সেটি এখন আরও তীব্র হয়েছে। গত শুক্রবার রাত থেকে মংডুর বিভিন্ন এলাকা থেকে থেমে থেমে মর্টারশেল, গ্রেনেড-বোমা বিস্ফোরণের শব্দ ভেসে আসছে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায়। রাখাইনে চলমান সংঘাতের মধ্যে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়লেও রোহিঙ্গাদের অনেকেই পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছেন।
এ বিষয়ে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর আরাফা বেগম বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনের ওপারে মর্টারশেল ও শক্তিশালী গ্রেনেড-বোমার বিস্ফোরণে এপারের ঘরবাড়ি কাঁপছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে মনে হয় বসতঘরের চালার ওপর বোমা এসে পড়ছে। রাতে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে দেয়।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এরইমধ্যে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। বাংলাদেশে ঢোকার জন্য রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন পয়েন্টে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা জড়ো হয়েছে বলেও খবর পেয়েছি।
আরও পড়ুনঃ দেশে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু





