ঘূর্ণিঝড় রেমাল; পাঁচ জেলায় ১০ জনের প্রাণহানি
প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে পাঁচ জেলায় ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
আজ রোববার থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা এবং চট্টগ্রামে ওই ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের নাপিতখালী আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পড়ে গিয়ে ৬৫ বছর বয়সী শওকাত মোড়লের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া বরিশালে দেয়ালচাপায় তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামে আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, দুর্যোগের আগেই সঠিক পূর্বাভাস এবং মানুষের সচেতনতায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়েও তেমন প্রভাব পড়েনি।
তবে দুর্বল বাঁধের কারণে ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগেই বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। ৫ থেকে ৬ ফুট উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানে উপকূলে। পটুয়াখালীতে উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে একজন এবং সাতক্ষীরায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে একজনের প্রাণ গেছে। মোংলায় ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ রয়েছে শিশুসহ দুজন।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়’ রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে খুলনার কয়রার নিকট অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টিপাত বাড়িয়ে পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে কিছুটা দুর্বল হয়ে ‘ঘূর্ণিঝড়ে’ রূপ নিতে পারে।
এরইমধ্যে রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে কয়রা, খুলনার কাছে অবস্থান করছে। এরপর ধীরে ধীরে সমুদ্র এবং উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ শান্ত হয়ে উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাত বাড়বে ঢাকাসহ এর আশপাশের এলাকায়। সকাল থেকে ঢাকায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে তীব্র বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ “কোনো সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক”





