কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উত্তোলন করা হবে সিলেট-১০ নম্বর কূপের তেল
সিলেটে আবিষ্কার হওয়া সিলেট-১০ নম্বর কূপটিতে কার্যকর তেলক্ষেত্র গড়ে তুলতে প্রয়োজনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
বরাবরই প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুতপ্রবণ এলাকাখ্যাত সিলেটের এ অঞ্চল এবার নতুনভাবে তেলক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত হতে যাচ্ছে। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের অধীনে প্রায় সাড়ে ৮ একর জমিতে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোপ্যাক এ কূপটির খননকাজ শেষ করেছে। যেখানে তিনটি স্তরে প্রাকৃতিক গ্যাস ও একটি স্তরে মিলেছে জ্বালানি তেলের অস্তিত্ব।
নসরুল হামিদ বিপু বলেন,এখন মূল্যায়ন চলছে। এর পরে জানা যাবে এখানে কী পরিমাণে তেল পাওয়া যাবে এবং কী পরিমাণে তেলের মজুত আছে। আমরা এরই মধ্যে একটি ড্রিল করেছি। এখন আমরা আরেকটি ড্রিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখানের তেল পাওয়ার বিষয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। কেউ বলছেন, ১১ মিলিয়ন ব্যারেল, আবার কেউ বলছেন ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পাওয়া যাবে। কাজেই আমরা বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যায় যেতে চাই। তেলের ক্ষেত্রে এটিই হবে বাংলাদেশের বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর একটি প্রকল্প।
মজুতের সঠিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় সক্ষমতা আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দরকার হলে সরকার উচ্চতর প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, আমরা এখানে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। শেভরনের কূপ খননে আমরা দেখেছি যে তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। সুতরাং, এই বিষয়টি আসায় আমাদের এখানে সম্ভাবনার ক্ষেত্রটি ত্বরান্বিত হয়েছে। আমরা সবকিছু নিয়ে ভালো সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।
আরও পড়ুনঃ “বিদেশি চলচ্চিত্র অবাধ প্রচারের ফলে দেশীয় চলচ্চিত্র হুমকির মুখে”





