“সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে হবে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা কোন ভয় পাবেন না-আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে। সাহসের সঙ্গে দলে দলে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন।
শুক্রবার বিকেলে তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের বসুরহাট জিরো পয়েন্টে পথসভায় বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো বলেছিল, হাসিনা ও আওয়ামী লীগ পালাবার পথও পাবে না। এখন তারা কোথায়? বিএনপিসহ ৩২ দল পালিয়ে গেছে। অলিগলিতেও তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচনে আসেনি, বর্জন করে প্রতিরোধ করবে বলে। অবরোধ, হরতাল, চোরা গোপ্তা হামলা, পুলিশ-আনসার হত্যা করতে পারে তারা। রেলে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা এসবই তারা পারে, এরা সবাই ভুয়া…। বিএনপি বলে তাদের হাজার হাজার লোক কারাগারে। তারা পুলিশ মারে, আনসার হত্যা করে, গাড়িতে আগুন দেয়, ককটেল, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। তারা জেলে যাবে না কারা জেলে যাবে।
তিনি আরও বলেন, সকলে আচরণবিধি মেনে চলুন, আচরণবিধি না মানলে এবং ফাউল করলে খবর আছে। ধরা খেলে কারও জন্য তদবির করবো না। আমরা নির্বাচন আচরণবিধির ওপর শ্রদ্ধাশীল। আজকে দেখুন আমার গাড়িতেও জাতীয় পতাকা নেই। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জে গিয়েছিলেন। এরপর আমাকে নিয়ে সিলেটে গিয়েছিলেন, জাতীয় পতাকা ছিল না। সিলেট বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে কোন সরকারি কর্মকর্তাও ছিল না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ওদের দণ্ডিত নেতা তারেক বলে, ট্যাক্স দেবে না, সরকারকে ট্যাক্স দিতে নিষেধ করছে জনগণকে। এ নেতার কথা শুনে এখন ঘোড়াও হাসে। হাওয়া ভবনের অর্থচোরা তারেক কিভাবে জনগণকে বলে ট্যাক্স না দিতে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে সাজাপ্রাপ্ত দণ্ডিত হয়ে মুচলেকা দিয়ে বিএনপি নেতা তারেক রহমান লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছিল। মা-ছেলে দুজনেই সাজাপ্রাপ্ত দণ্ডিত আসামি। এরা হলো বিএনপি নেতা। লুটেরা টাকা পাচারকারীদের বাংলাদেশের জনগণ নেতা কিভাবে মানবে?
তিনি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সৈনিক। নাশকতাকারী বা কাউকে ভয় পাই না। একমাত্র আল্লাহকে ভয় করি। আমার কর্মকাণ্ডে কেউ কোন দুঃখ পেয়ে থাকলে, নিজগুণে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। কারণ দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলে, তা আমারই ব্যর্থতা। কারণ আমি যেহেতু দলের বড় নেতা। তৈরি থাকুন, ৭ জানুয়ারি ফাইনাল খেলা হবে। বিএনপি না থাকলে কি হয়েছে, সারা দেশে এক হাজার ৮৯৬ জন ৭ জানুয়ারি খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনাল খেলবে। দেশের জন্য আমাদের দলের নেতারা সব ধরনের ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত আছে। এছাড়া আর সবই ভুয়া।






নির্লিপ্ততা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শৈলকূপা ও হরিনাকুন্ড থানার ওসি প্রত্যাহার: ইসি - Tathya Sangjog
December 22, 2023[…] আরও পড়ুনঃ “সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এ… […]