সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহে বিশ্বাস করে: তথ্যমন্ত্রী
থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজে এবং তার সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহে বিশ্বাস করে। অবাধ তথ্যপ্রবাহ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে, গণতন্ত্র, বহুমাত্রিক সমাজ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা সংহত হয়। সে জন্য আমরা তথ্য অধিকার আইন পাস করেছি এবং আজ সত্যিকার অর্থে দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে তথ্য কমিশন ভবনে ‘তথ্যের অবাধ প্রবাহে ইন্টারনেটের গুরুত্ব’ প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস ২০২৩ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত এক দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেভাবে বিস্তৃত হয়েছে এবং হচ্ছে তাতে পৃথিবীর পুরো ক্যানভাসটাই বদলে গেছে, মানুষের অভ্যাসও বদলে গেছে। দেশে ৮ কোটির বেশি মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে। এই মাধ্যম আমাদের যোগাযোগের অবাধ সুযোগ যেমন করে দিয়েছে, একই সঙ্গে রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা, সমাজে অস্থিতিশীলতা, গুজব রটানো, ভুল সংবাদ মিথ্যা সংবাদ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ ছড়ানোর বড় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।’
ড. হাছান বলেন, ‘গত এশিয়া মিডিয়া সামিটে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতা মোকাবিলা। বছর খানেক আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সার্ভেতে দেখা গেছে, ৭৫ শতাংশের বেশি মানুষ মনে করে যে সমাজে যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়, সমাজে অস্থিরতা তৈরি করা হয় এবং তৎপ্রেক্ষিতে গণতন্ত্র দুর্বল হয়। এই প্রেক্ষাপটে আমি মনে করি, এ ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টিপাত করা দরকার। কারণ, এই দেশেও পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে নরবলি দেয়াসহ নানা ধরনের গুজব, এর পর ছেলে ধরা গুজব ছড়ানোর পর গণপিটুনিতে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য কমিশন এই ক্ষেত্রে কী করতে পারে, সেটি নিয়েও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।’





