১০টা-৫টা অফিস করছে ১৬০০ হাঁস
১০টা-৫টা অফিস করছে হাঁসেরাও। পাচ্ছে মাসিক বেতন-বোনাসও। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের বাইরেই এরস্টে নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের ভাইনইয়ার্ডগুলোতে চাকরি তাদের।
বিশ্বের ওয়াইন উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ আফ্রিকা। সবমিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভিনিকালচার শিল্প। শুধু মানুষই নয়, এই শিল্পক্ষেত্রে হাঁসেরাও মানুষের সহকর্মী।
কেপ টাউনের ওয়াইন এস্টেট ভেরজেনোয়েড লো-তে হাঁসেদের ব্যবহার করা হয় কৃষিক্ষেত্রে। ভাইন ইয়ার্ড দেখাশোনা ও রক্ষা করার দায়িত্ব থাকে তাদের ওপরেই।
দক্ষিণ আফ্রিকার এই ভাইন ইয়ার্ডে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। এমনকি কীটনাশকও ব্যবহৃত হয় না। পতঙ্গের উৎপাত এড়াতে সেখানকার কৃষকরা বেছে নিয়েছেন এই অদ্ভুত পন্থা। প্রতিদিন সকাল হলেই ভাইন ইয়ার্ডে নামানো হয় হাঁসের ব্যাটেলিয়ন। তারাই মাটি থেকে খুঁজে খুঁজে কীটপতঙ্গ, কৃমি, শামুক খেয়ে রক্ষা করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। তাছাড়া তাদের মল-মূত্রই কাজ করে প্রাকৃতিক সার হিসেবে। ফলে এখানে কোনো কৃত্রিম ফার্টিলাইজারের প্রয়োজন হয় না।
কেপ টাউনের প্রতিটি ভাইনইয়ার্ডে ‘কাজ’ করে প্রায় ১৬০০-রও বেশি হাঁস। তবে এখানে সব প্রজাতির হাঁস নেই। এক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়ান রানার ডাক’ প্রজাতিকেই বেছে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকরা। কারণ এই বিশেষ প্রজাতির ঘ্রাণ শক্তি প্রবল। সহজে পোষও মানে তারা।





