“রাশিয়ায় আমরা পেঁয়াজ, ফুলকপি ও আলু রফতানি করব”
কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ বলেছেন, রাশিয়ায় আমরা পেঁয়াজ, ফুলকপি ও আলু রফতানি করব। যদি মান নিয়ন্ত্রণে কোনো সমস্যা না হয়, আমরা তো অবশ্যই পরীক্ষা করব। পরীক্ষা করে সেগুলো রফতানি করব। এটি আমাদের জন্য ভালো খবর।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ম্যানতিতস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু। স্বাধীনতার সময় থেকে তারা আমাদের বন্ধু। আগামীতেও থাকবেন। ঢাকায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত এসেছেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে। তারপরে আমরা সার নিয়ে আলোচনা করেছি। তাদের কাছ থেকে সার আনছি।
তিনি বলেন, রাশিয়ায়ও আমরা পেঁয়াজ, ফুলকপি ও আলু রফতানি করব। যদি মান নিয়ন্ত্রণে কোনো সমস্যা না হয়, আমরা তো অবশ্যই পরীক্ষা করব। পরীক্ষা করে সেগুলো রফতানি করব। এটি আমাদের জন্য ভালো খবর। আমের বিষয়টি তারা বারবার বলছিলেন। তারা আগেও আম খেয়েছেন। পোকা-মাকড় না থাকলে, তারা আমাদের দেশ থেকে আম নেবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেটি আমরা দেখব। আরেকটা জিনিস হলো, চালের দাম বাড়লে তাতে মানুষের ওপর চাপ পড়ে। এ বিষয়ে আমরা সজাগ আছি। এ বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যতটুকু সহযোগিতা দরকার, সেটি করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করবো যাতে দাম না বাড়ে। কৃষকেরাও যাতে দাম পায়; আবার মজুতদারিও যাতে না হয়; সিন্ডিকেট যাতে না হয়; হলে সেগুলো ভাঙা হবে। ভাঙার পদ্ধতি আমাদের জানা আছে।’
দুর্নীতি প্রশ্রয় দেয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ বলেন, ‘আমি নিজেও দুর্নীতির পক্ষে না। আমি রাজনীতি করি, সাংবাদিকরা সবাই আমাকে চেনেন। আমার কোনো দুর্নীতি নেই।’
সার সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে তথ্যচিত্র আছে। ইউরিয়া সারের চাহিদা হলো ২৭ লাখ মেট্রিক টন। নিরাপত্তা মজুত ৬ লাখ মেট্রিক টন। দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৩৩ লাখ মেট্রিক টন। আমাদের হাতে যে সার আছে, তাতে কোনো সংকট নেই।’
আরও পড়ুনঃ “বিএনপির রাজনীতি ভুলের চোরাবালিতে আটকে আছে”





