রাতারাতি রং ফর্সা করতে যা করবেন…
প্রকৃতি, বলা যায় সব কিছুরই উৎস। প্রয়োজন যাই হোক, প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত উপাদনকেই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে, রঙ-চঙ মাখিয়ে সমাধান বের করা হয়। অর্থ্যাৎ সব সমস্যার সমাধানই রয়েছে, শুধু সঠিক নিয়ম আর সঠিক প্রয়োগ জানতে হবে। যেমন ধরুন গায়ের বা মুখের ত্বক ফর্সা করার বিষয়টি।
প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে বেশকিছু ভেষজ উপাদান। এসব উপাদান দিয়ে সপ্তাহে মাত্র তিন দিন রূপচর্চা করতে পারলে মাত্র এক মাসের মধ্যে লক্ষ করবেন আপনার ত্বকের রং আগের তুলনায় বেশ উজ্জ্বল হয়েছে।
জাদুকরি এই তিনটি উপাদান নিয়েই আজকের আলোচনা;
১) হলুদ : এতে রয়েছে নানা রকমের ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিসেপটিক সমৃদ্ধ। হলুদ যেমন ইনফেকশনের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। যে কারণে আজকাল বিভিন্ন পণ্যে এ হলুদ ব্যবহার করা হয়। তাই রূপচর্চায় হলুদ অবশ্যই ব্যবহার করুন।
২) দুধ : রূপচর্চায় যদি নিয়মিত দুধ ব্যবহার করা হয় তবে ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই ময়েশ্চারাইজ হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়া ত্বকের মৃত কোষ, রোদে পোড়া ভাব, ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে নিয়মিত দুধ ব্যবহার করতে পারেন।
৩) চন্দন : এর ঔষধি গুণাগুণ ত্বককে রাখে কোমল ও সুন্দর। পাশাপাশি ব্রণ, রোদে পোড়া দাগ বলিরেখাও দূর করে। চন্দনের কিন্তু বেশ কিছু অ্যান্টিসেপটিক গুণও রয়েছে। আপনি যদি নিয়মিত চন্দন ব্যবহার করেন, তাহলে ত্বক সুস্থ থাকার পাশাপাশি উজ্জ্বলতার দ্যুতি ছড়াতে শুরু করবে।
চলুন জেনে নেয়া যাক ব্যবহার প্রণালি:
পাত্রে তিন চামচ তরল কিংবা গুঁড়া দুধে একটি জাফরানের পাপড়ি এবং আধা চামচ চন্দনের গুঁড়া নিন। সাথে মিশিয়ে নিন গোলাপের পানি ১ চাচম ও প্রয়োজনমতো পানি। একটু ঘন করে তৈরি করুন মিশ্রণটি। তৈরি করে ফেসপ্যাকটি ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। সপ্তাহে নিয়মিত তিন দিন এ ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। প্রথম দিন থেকেই বোঝা যাবে পার্থক্য।
আরও পড়ুন : শীতে আপনাকে সুস্থ রাখবে এই ৫টি সবুজ সবজি





