মিহাস ২০২৫: প্রাণের হালাল পণ্য মুগ্ধ কুয়ালালামপুর!
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিশ্বের বৃহত্তম হালাল পণ্যের মেলা ‘মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস’ (মিহাস) শেষ হয়েছে শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর)। চার দিনব্যাপী এই মেলা গত ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে (মিটেক)।
এবারের ২১তম আসরে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের ক্রয়াদেশ পেয়েছে এবং তাদের ৬০টি নতুন পণ্য মালয়েশিয়ার দুটি শীর্ষ সুপারশপ চেইন ইকনসেভ ও ইকোশপ এর তাকগুলোতে স্থান পাওয়ার প্রতিশ্রুতি অর্জন করেছে।
মালয়েশিয়া বহির্মুখী বাণিজ্য উন্নয়ন করপোরেশন (ম্যাট্রেড) আয়োজিত এই মেলায় বিশ্বের ৯০টি দেশ থেকে ২,৩০০টির বেশি স্টলে বিভিন্ন হালাল পণ্য প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশ থেকে প্রাণ এবং রিমার্ক এইচবিও এই মেলায় অংশ নেয়। প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে ছিল প্রক্রিয়াজাত খাদ্য যেমন নুডলস, বিস্কুট, জুস, মাছ-মাংস, পাশাপাশি পোশাক, প্রসাধনী, আসবাব, ওষুধ এবং জীবনযাপন ও সৌন্দর্যবর্ধনের নানা হালাল সামগ্রী।
প্রাণ গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক তৌহিদুজ্জামান জানান, এবারের মেলায় প্রাণ প্রায় ৫০০ প্রকারের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করেছে। এর মধ্যে জুস, বেকারি আইটেম, বিস্কুট, কনফেকশনারি, নুডলস, সস, চকলেট এবং রেডিমেড খাদ্য উপকরণ ছিল উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে কোরিয়ান নুডলস, বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট এবং বাসিল সিড ড্রিংকস ব্যাপকভাবে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, “মেলায় প্রায় ১০ হাজার দর্শনার্থী আমাদের পণ্যের স্বাদ ও মান পরীক্ষা করার সুযোগ পেয়েছেন। এই স্যাম্পলিং কার্যক্রম আমাদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
মিহাস ২০২৫-এ প্রাণের পণ্যগুলোর মধ্যে তাদের উদ্ভাবনী পণ্য যেমন ফ্লেভারড ড্রিংকস এবং প্রিমিয়াম বেকারি আইটেমগুলো বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া, প্রাণের স্টলে পরিবেশিত ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি স্ন্যাকস এবং পানীয় বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। মেলার মাধ্যমে প্রাণ শুধু বাণিজ্যিক সাফল্যই অর্জন করেনি, বরং বাংলাদেশের হালাল পণ্যের গুণগত মান বিশ্ববাজারে তুলে ধরেছে।
এই মেলা বৈশ্বিক হালাল বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাণের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের খাদ্যশিল্পের সম্ভাবনাকে বিশ্ব দরবারে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।





