প্রায় ১০০ ভরি স্বর্ণ লুট, পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেফতার ৮
কেরানীগঞ্জ থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ৯৮ ভরি ওজনের আটটি সোনার বার লুটের ঘটনায় এক পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেফতার।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীসহ ঢাকার আশুলিয়া, সাভার ও খুলনা জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫১ ভরি ৬ রতি স্বর্ণ, ১৫ লাখ টাকা ও একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লালবাগ থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মো. কামরুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম ওরফে সুমন, মো. রহমান, উত্তম মজুমদার, জাকির হোসেন, মো. শরীফ, আনন্দ পাল ও নাহিদা নাহার।
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বর্ণ ডাকাতির কথা স্বীকার করেছেন, তারা একটি সংঘবদ্ধ আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য।
আরও পড়ুন: কারাগারে জীবনের নিরাপত্তা চান বাবুল আক্তার
পুলিশ সুপার জানান, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল জামটি বাজারের সোলাইমান জুয়েলার্সের কর্মচারী বরুন ঘোষ (৪৮)। গত ২ সেপ্টেম্বর তিনি ৯৮ ভরি ওজনের আটটি সোনার বার নিয়ে মোটরসাইকেলে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে যাচ্ছিলেন। উদ্দেশ্যে ছিল সেখানকার সোনার দোকানে বিভিন্ন গয়না তৈরি করা। তাঁতীবাজারে গিয়ে দোকান বন্ধ পান, ফলে বারগুলো নিয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন তিনি। কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন জনি টাওয়ারের পাশে সাজেদা হাসপাতালের গলির রাস্তায় পৌঁছালে ডাকাত চক্রের সদস্যরা পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে বরুনের কাছে অবৈধ মালামাল আছে জানিয়ে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নেন। ডাকাতেরা বরুনকে গাড়িতে তুলেই তার চোখ মুখ বেঁধে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা সোনার বার, সোনা চালানের কাগজপত্র ও ৩ হাজার টাকা কেড়ে নেন তারা। এরপর বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ঝিলমিল এলাকার ফাঁকা স্থানে গিয়ে মাইক্রোবাস থেকে বরুনকে নামিয়ে দিয়ে ডাকাতেরা পালিয়ে যান। বরুন বিষয়টি তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে দোকানমালিককে জানান।
পরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ৩ সেপ্টেম্বর দোকানের মালিক হাবু মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন।





