পুলিশ হত্যার মিশনে জামায়াতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া
নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামায়াতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র গ্রেপ্তার সদস্যরা এক পুলিশ সদস্যকে হত্যার দায়িত্ব পেয়েছিল বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
রোববার নারায়ণগঞ্জ ও গুলিস্তানে অভিযান চালিয়ে নতুন এই জঙ্গি সংগঠনের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে র্যাব। গাইবান্ধায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করায় তাকেও হত্যার পরিকল্পনা করেছিল গ্রেফতার হওয়া সাকিবসহ পাঁচজন।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা হিজরত করার লক্ষ্যে ঘরছাড়া তরুণদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিতে রাঙামাটি ও বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পাঠাত। সেই সঙ্গে মগবাজারের ষোলো আনা নামের আতরের দোকান ব্যবহার করে পার্বত্য অঞ্চলে প্রশিক্ষণের জন্য বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও রসদ সরবরাহ করত।
এদিকে আদালত পাড়া থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আগাম গোয়েন্দা তথ্য ছিল কি না? আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায় এড়ানো যায় কি না? ছিনতাই হওয়া জঙ্গিরা কোথায়? এসব প্রশ্নের উত্তরে কমান্ডার মঈন বলেন, আদালত প্রাঙ্গণ থেকে ছিনতাই হওয়া দুই জঙ্গিকে আবার ধরতে র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। যাঁরা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছেন, তাঁদের আগের অপরাধ কার্যক্রম, বিচরণ, সিসিটিভি বিশ্লেষণসহ সার্বিক দিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনা রোধে সবারই সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন উল্লেখ করে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘আমরা মনে করি, কারাগার নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভাগ, গোয়েন্দাসহ সবার পক্ষ থেকে যদি সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হতো তাহলে এমন ঘটনা ঘটত না। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছিল। তারপর অনেক দিন পর এমন একটি ঘটনা ঘটল।’
আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না বলে মঈন বলেন, তাঁরা সব সময় নজরদারি করছেন। আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না।
পালিয়ে যাওয়া দুই জঙ্গি কোথায় দেশে নাকি দেশের বাইরে? জানতে চাইলে র্যাব মুখপাত্র বলেন, এই মুহূর্তে এটা বলার অবকাশ নেই। তাঁরা খোঁজ করছেন।
আরও পড়ুনঃ “সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা করলে বিএনপিকে ছাড় দেয়া হবে না”





